আয় সুখ যায় সুখ pdf – সমরেশ মজুমদার Aai Sukh Jai Sukh pdf – Samaresh Majumdar

আয় সুখ যায় সুখ pdf - সমরেশ মজুমদার Aai Sukh Jai Sukh pdf - Samaresh Majumdar
আয় সুখ যায় সুখ pdf - সমরেশ মজুমদার Aai Sukh Jai Sukh pdf - Samaresh Majumdar

পশ্চিমবঙ্গের উপন্যাস সমরেশ মজুমদার এর Aai Sukh Jai Sukh pdf আয় সুখ যায় সুখ pdf ডাউনলোড করুন ও Aai Sukh Jai Sukh pdf আয় সুখ যায় সুখ pdf পড়ুন।

আয় সুখ যায় সুখ pdf - সমরেশ মজুমদার Aai Sukh Jai Sukh pdf - Samaresh Majumdar
আয় সুখ যায় সুখ pdf – সমরেশ মজুমদার Aai Sukh Jai Sukh pdf – Samaresh Majumdar

Aai Sukh Jai Sukh pdf আয় সুখ যায় সুখ pdf কাহিনিঃ

আমার পাঁচমিশেলি মন খারাপের পরেও রে তোর সঙ্গে আছি’ – লাইনগুলো শুনে চমকে উঠেছিলেন শমীক। শহর থেকে অনেক দুরে শান্তি নদীর ধারের গ্রাম মনকাড়ায় এমন কথা শুনতে পাবেন ভাবেননি। আরও অবাক হলেন শুনে যে সেই কবিতা লিখেছে গ্রামের মেয়ে শবনম। যে কিনা চা-বিক্রি করে চালায় সংসার। শমীকের কথায় শহরে আসে শবনম। একটাচাকরিও পায় সাহিত্যপ্রেমী মানুষ সামসুদ্দিন সাহেবের সহায়তায়। তার সামনে খুলে যায় এক আলো ঝলমল রূপকথার জগৎ।

তার সঙ্গে চোখে পড়ে শহরে জীবনে পাঁচমিশেলি মন খারাপ-এর মতো অনেক ঘটনা। তবু মন্দ লাগে না তার। সে চায় নিজের পায়ে দাঁড়াতে। গ্রাম ছেড়ে এলেও গ্রামের মানুষকে ভোলেনি শবনম। আর তাই গ্রামের বাউল মিন্টু ভাইয়ের চিকিৎসায় সে ঝাঁপিয়ে পড়ে সর্বশক্তি নিয়ে। অন্তরাল থেকে সাহায্য করেন সাহিত্যিক শমীক। কিন্তু কেন? শবনমের না হয় নাড়ির টান তার গ্রাম মনকাড়ার সঙ্গে। আর পুরোপুরি নগরজীবনে অভ্যস্ত মধবয়সী শমীকের? তাঁর টান কীসে? তাঁরও তো কিছু বলার থাকতে পারে। কী সে কথা… ওপার বাংলার পটভূমিতে এক অনবদ্য উপন্যাস।

সে পিশাচ হয়ে যায় – অভীক মুখোপাধ্যায় Se pishach Hoye Jay by Avik Mukhopadhyay

সেই গ্রামের নাম মনকাড়া। সেই গ্রামের নদীর নাম শান্তি। শান্তি নদীর গায়ে যে চায়ের দোকান তার মালকিনের নাম শবনম। মাত্র কুড়ি বছর বয়স তার, সে কবিতা লেখে কিন্তু চা-বিক্রির টাকায় সংসার চলে। কিন্তু কবিতা তার কাছে খুলে দেয় রূপকথার জগৎ। মনকাড়া থেকে কবিতার সিঁড়ি বেয়ে সে চলে আসে রাজধানী শহরে। আলো ঝলমল শহরজীবনের খাঁজে খাঁজে অন্ধকার। ওই জীবনের সঙ্গে কি মানিয়ে নিতে পারবে শবনম?

Aai Sukh Jai Sukh pdf আয় সুখ যায় সুখ pdf লেখকঃ

সমরেশ মজুমদারের জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এম.এ.। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘ দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে।
প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘ দেশ পত্রিকায়। গ্রন্থ ‘ দৌড়’, ‘এই আমি রেণু’, ‘উত্তরাধিকার’, ‘বন্দীনিবাস’, ‘বড় পাপ হে’, ‘উজান গঙ্গা’, ‘বাসভূমি’, ‘লক্ষ্মীর পাঁচালি’, ‘উনিশ বিশ’, ‘সওয়ার’, ‘কালবেলা’, ‘কালপুরুষ’, এবং আরও অনেক।
সম্মান ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এছাড়া — দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনীকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার। ২০০৯ সালে ‘কলিকাতায় নবকুমার’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন বঙ্কিম পুরস্কার।

Aai Sukh Jai Sukh pdf আয় সুখ যায় সুখ pdf নমুনাঃ

সূর্য ঢলছে পশ্চিমে। হাওয়া বইছে তিরতিরিয়ে। শমীক নদীর ধারে এসে বলল, ‘চরণভাই, এখানে একটু বসা যাক।’
চরণ তাকাল চারপাশে। তারপর বলল, ‘আর একটু এগোই। নদী যেখানে বাঁক নিয়েছে সেখানে বসলে দেখবেন ভালো লাগবে।’
মিনিট আটেক হাঁটার পর একটা বিশাল বটগাছের নিচে পড়ে থাকা পাথরগুলো দেখিয়ে চরণ বলল, ‘বসুন। এবার দেখুন, বেশি ভালো লাগে কিনা।’ শমীক বলল, ‘হ্যাঁ। ভালো লাগছে। অন্যরকম লাগছে।’

‘লাগতে বাধ্য। কেন জানেন? নদী হলো মেয়েমানুষের মতো। যে মেয়েমানুষের শরীরে বাঁক নেই, চ্যালা কাঠের মতো অথবা ধরুন পিপের মতো তাকে কি ভালো লাগে? কোমরে-বুকে বাঁক থাকলে দেখে চোখ জুড়োয়। এখানে নদী বাঁক নিয়েছে বলে চোখের আরাম হচ্ছে।’ বলে পকেট থেকে বিড়ি বের করে ধরালো চরণ, ‘বাবু নেশা ভাঙ করেন না বুঝি। ভাত খাওয়ার পর একটা বিড়ি না খেলে, – হে হে।’
“তুমি তো বেশ কথা বলো চরণ।’
‘আমি কি বলি? এই মাটি, হাওয়া, নদী, এরাই আমাকে দিয়ে বলায় ! ‘ ‘হ্যাঁ। ভাবির ব্যাপারটা, — কী যেন বলছিলে?’

‘আমি তো তখন ছোট্ট। বিয়ে হলো, পেট ভরে খেলাম। তারপর প্রথম রাত কাটল। ভোর হলো। পাড়ার বউঝিরা রস করতে ঢুকল ভাবির ঘরে। গিয়ে দেখল বর নেই, বউ চুপচাপ বসে আছে। আমিও পিছুপিছু দরজায়। বউগুলো প্রশ্ন করছিল, কী হয়েছে কাল রাত্রে? কী বলেছে বর? রাতভর জাগিয়ে রেখেছিল কি না? তখন ভাবি কাঁদতে লাগল। কাঁদতে কাঁদতে বলল, উনি বললেন আমি যেন তাঁর সাধনায় বিঘ্ন না ঘটাই। ওঁকে কখনও স্পর্শ যেন না করি। উনি আমাকে মায়ের মতো সারাজীবন দেখবেন। ওইটুকু বয়সেও বুঝতাম বউ কখনও মা হয় না। সেই যে হাওয়া হয়ে গিয়েছিল, হারামিটা ফিরে এলো দশদিন পরে। সারারাত ধরে লালনের গান গাইত আর দিনভর ঘুমাত। কদিন পরে আবার উধাও। কত বছর হয়ে গেল, ভাবি এখনও কুমারী থেকে গেছে।’ চরণের গলাটা ধরে এল।

Aai Sukh Jai Sukh pdf download link
Download / Read Online

Be the first to comment

Leave a Reply