একাদশ ইন্দ্রিয় pdf – রূপক সাহা Ekadash Indriya pdf – Rupak Saha

একাদশ ইন্দ্রিয় pdf - রূপক সাহা Ekadash Indriya pdf - Rupak Saha
একাদশ ইন্দ্রিয় pdf - রূপক সাহা Ekadash Indriya pdf - Rupak Saha

রূপক সাহার সমকালীন উপন্যাস Ekadash Indriya pdf একাদশ ইন্দ্রিয় pdf ডাউনলোড করুন ও Ekadash Indriya pdf একাদশ ইন্দ্রিয় pdf পড়ুন।

একাদশ ইন্দ্রিয় pdf - রূপক সাহা Ekadash Indriya pdf - Rupak Saha
একাদশ ইন্দ্রিয় pdf – রূপক সাহা Ekadash Indriya pdf – Rupak Saha

Ekadash Indriya pdf একাদশ ইন্দ্রিয় pdf কাহিনিঃ

ঋচীক ট্রেনে বহরমপুর থেকে ফেরার পথে আত্মহত্যায় উদ্যত একটি অদ্ভুত মেয়েকে বাঁচায়। পরে জানতে পারে মেয়েটির নাম মুনমুন এবং সে মানসিক রোগী। ঋচীক ভালবেসে ফেলে মুনমুনকে। তার টানেই যাতায়াত শুরু করে এক মেন্টাল নার্সিং হোমে। ধীরে ধীরে সেখানকার মনোরোগীদের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন হয়ে পড়ে ঋচীক। তাদের জন্যে কিছু করতে চায় সে। এদিকে প্রতিবেশী এবং অভিভাবক কাকাবাবু তাঁর মেয়ে তিতলির সঙ্গে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন ঋচীকের। কিন্তু ঋচীক সেই অভিপ্রায়ে সায় দিতে পারেনি। কাকাবাবুর সঙ্গে তার সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেল। প্রায় একই সময়ে ঋচীকের বিজনেস পার্টনার সুমিতাভ চরম আঘাত করে। আর মুনমুন সুস্থ হয়ে বহরমপুরে ফিরে যায় ঋচীককে কিছু না বলে। এতগুলো আঘাতে ঋচীক নিজেই কি শেষপর্যন্ত মনোরোগী হয়ে পড়ল ? তারই কথা এই উপন্যাসে।

Ekadash Indriya pdf একাদশ ইন্দ্রিয় pdf লেখকঃ

রূপক সাহার জন্ম ৬ জানুয়ারি ১৯৪৯। পিতা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রাক্তন ফুটবলার হারাণ সাহা। রূপক নিজেও ফুটবল খেলেছেন ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবে। সাংবাদিকতার পেশায় ঢোকেন সংবাদসংস্থা ইউ এন আই-তে। এখন আনন্দবাজার পত্রিকার ক্রীড়া সম্পাদক। বাইশ বছরের সাংবাদিক-জীবনে কভার করেছেন সোল ও বার্সেলোনা অলিম্পিক, ইতালি ও আমেরিকার বিশ্বকাপ ফুটবল, সুইডেনে ইউরোপিয়ান কাপ ফুটবল, দিল্লি ও সোলে এশিয়ান গৈমস। ক্রীড়া সাংবাদিকতায় গুরু মতি নন্দীর উৎসাহে রূপক প্রথম বইটি লেখেন ‘চাইনিজ ওয়াল গোষ্ঠ পাল’। তাঁর দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘একাদশে সূর্যোদয়’, ১৯১১ সালে মোহনবাগানের সেই শিল্ড জয়ের কাহিনী। প্রথম উপন্যাস ‘জুয়াড়ি’। ১৯৯২ সালে ক্রীড়া সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য রাজ্য সরকারের ক্রীড়া পুরস্কার পান।

Ekadash Indriya pdf একাদশ ইন্দ্রিয় pdf নমুনাঃ

ট্রেন ছাড়তে আধ ঘণ্টা দেরি হবে। বেলডাঙায় সিগন্যালে কী একটা গণ্ডগোল হয়েছে, সে জন্য। বহরমপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে পা দিতেই মাইকে শুনতে পেলাম, “রাত দশটা পঞ্চাশের লালগোলা প্যাসেঞ্জার এগারোটা কুড়িতে ছাড়বে। ”
শুনে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। ঘড়িতে এখন কাঁটায় কাঁটায় দশটা পঞ্চাশ। ঠিক টাইমে ট্রেন ছাড়লে, হয়তো মিস করতাম। সকালের লালগোলা ধরে আজই বেলা দেড়টা নাগাদ বহরমপুরে এসেছি। চন্দনাদির কাছে ভাইফোঁটা নিতে। গত কয়েকদিন ধরে, চন্দনাদি পাগল করে তুলেছিল আমাকে ফোনে। না এলে কষ্ট পেত। আমি আসায় এমন খুশি, এত রাতেও আমাকে ট্রেনে তুলে দিতে এসেছে গোরাবাজার থেকে।

শোণিত উপাখ্যান অতীত pdf – সৈয়দ অনির্বাণ Shonit Upakhyan Atit pdf – Syed Aunirbaan

আমার আপন দিদি নেই। কিন্তু চন্দনাদি দিদির থেকেও বেশি। বিডন স্ট্রিটে আমাদের পাশেই চন্দনাদিদের বাড়ি। আমার থেকে বছর পাঁচেকের বড়। ছোটবেলা থেকে তাই আমার গার্জেনের মতো। মায়ের মুখে শুনেছি, ছোটবেলায় টাইফয়েডে একবার আমি প্রায় মর মর । সেই সময় চন্দনাদি রাত-দিন আমার বিছানার পাশে বসে থেকে সারিয়ে তুলেছিল। আগে খুব শাসন করত। এখন সম্পর্কটা বন্ধুর মতো।

মাস তিনেক হল, চন্দনাদি হঠাৎ বহরমপুরে চলে এসেছে। এখানেও গোরাবাজারে ওদের বিরাট বাড়ি। কেন এসেছে, কাউকে বলেনি। তবে আমি জানি। রঞ্জনদার সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে। রঞ্জনদার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা চন্দনাদির। সব ঠিক করা আছে। রঞ্জনদা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। খুব বনেদি পরিবারের ছেলে। বালিগঞ্জ প্লেসে ওদের বিরাট বাড়ি। আমি মাঝে মধ্যে যাই। রঞ্জনদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভাল। একটা সময় দু’জনের মধ্যে প্রচুর চিঠি চালাচালি করেছি। আজ এখানে এসে স্যাঙ্গুইন হয়ে গেলাম, চন্দনাদির হঠাৎ বৈরাগ্যের কারণ রঞ্জনদাই। প্রায় দশ ঘণ্টা রইলাম, অথচ একবারও রঞ্জনদার কথা জিজ্ঞেস করল না।

প্ল্যাটফর্মে লোকজন বিশেষ নেই। বেস্পতিবার বলে বোধহয়। দুপুরে ট্রেন থেকে নেমেই বুদ্ধি করে রাতের এই ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কেটে নিয়েছিলাম। এক ঘুমে শেয়ালদা। জার্নি টেরও পাওয়া যায় না। ভাগ্যিস টিকিটটা সঙ্গে ছিল। তাই দিনের দিন ফিরে যেতে পারছি। না হলে চন্দনাদি ছাড়ত না। দু’ তিন দিন নির্ঘাত আটকে রাখত। ফোন করে মাকে জানিয়ে দিত, ভাই এখন যাবে না। ব্যস, আমার কাজকর্ম চৌপাট হয়ে যেত।
অক্টোবরের শেষ। একটু শীত শীত করছে। এই সময়টায় এখানে এত ঠাণ্ডা পড়ে যায়, ভাবতেও পারিনি।

Ekadash Indriya pdf download link
Download / Read Online

Be the first to comment

Leave a Reply