শান্তিলতা pdf – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় Shantilata pdf – Manik Bandopadhyay

শান্তিলতা pdf - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় Shantilata pdf - Manik Bandopadhyay
শান্তিলতা pdf - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় Shantilata pdf - Manik Bandopadhyay

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর সর্বশেষ প্রকাশিত উপন্যাস Shantilata pdf শান্তিলতা pdf ডাউনলোড করুন ও Shantilata pdf শান্তিলতা pdf পড়ুন।

শান্তিলতা pdf - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় Shantilata pdf - Manik Bandopadhyay
শান্তিলতা pdf – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় Shantilata pdf – Manik Bandopadhyay

Shantilata pdf শান্তিলতা pdf সম্পর্কে প্রকাশকঃ

 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবিতকালে প্রকাশিত সর্বশেষ উপন্যাস ‘মাশুল’ প্রকাশিত হবার দীর্ঘকাল পর তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস ‘শান্তিলতা’ প্রকাশিত হল। স্বৰ্গত লেখকের সাহিত্য-সাধনার সর্বশেষ কীর্তি হিসাবে এই বইটি বাংলা দেশের ঘরে ঘরে সমাদৃত হবে, সে দাবী ও আশা রাখি!

Shantilata pdf ॥ মানিক-প্ৰতিভা ৷৷ ভূমিকা
প্রায় ৩৬খানা উপন্যাস ও ১৭টি গল্প-সংকলনে মোট প্রায় ১৭৭টি ছোটো গল্প রেখে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় গত ৩রা ডিসেম্বর (১৯৫৬ ইং) চিরবিদায় গ্রহণ করেছেন। তাঁর ৪৬ (বা ৪৮ ) বৎসরের অকাল নিমীলিত জীবনের ও ২৮ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনের সাক্ষ্য এই বিপুল দান। শোকাচ্ছন্ন বন্ধুদের পক্ষে এখনো তা পরিমাপ করা দুঃসাধ্য। এমন কি, তাঁর সকল লেখার সঙ্গে বহু পাঠক পরিচয়ও রাখতে পারেন নি। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত গ্রন্থ সমূহের সঠিক তালিকা সংকলন করতে গিয়ে গবেষণা-কুশল বন্ধুরাও বিপন্ন বোধ করেন। তাই তাঁর বিশ্বতপ্রায় রচনাসমূহ ও বিলীয়মান স্মৃতিগুলিকে সযত্নে আহরণ করাও তাঁর বন্ধুদের ও সাহিত্য- নুরাগীদের একটি গুরুতর দায়িত্ব। সে দায়িত্ব এখন পালন না করলে পরবর্তী কালে তা আরও দুঃসাধ্য হবে।

মা, মা, মা এবং বাবা pdf – আরিফ আজাদ Ma Ma Ma Ebong Baba pdf – Arif azad

কারণ, বাঙলাদেশে পাঠক সাধারণের মনের সম্মুখে থেকেও এমন করে স্ব-সমাজের কৌতূহলদৃষ্টির অগোচর হয়ে যেতে বোধহয় আর কোনো সাহিত্যিক পারেন নি। অথচ ৩রা ডিসেম্বরের শোক- যাত্রায় ও ৭ই ডিসেম্বরের শোকসভায় যেভাবে সাহিত্যিক ও যুবক সমাজ স্বতঃ উৎসারিত বেদনায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে প্রণাম নিবেদন করেন তাতে স্পষ্টই বুঝা যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিভা ও সৌহার্দ্য সামাজিক পুরস্কার ও অভিনন্দনের অপেক্ষা না রেখে কত গভীর ও নিবিড় ভাবে তার দেশবাসীর ও সাহিত্যিক বন্ধুদের হৃদয় স্পর্শ করেছিল। অবশ্য আত্মীয়তা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দু’টি পথ তাঁদের সম্মুখে এখনো উন্মুক্ত আছে- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার-পরিজনের প্রতি কর্তব্য পালন তাঁদের সামাজিক কর্তব্য, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্য-প্রতিভাব সহিত তাঁর স্বদেশবাসীর ও বিদেশীয়দের পরিচয়-সাধন তাঁদের সাহিত্যিক কর্তব্য।

কারণ, সাহিত্যিকের অথব-সত্তা সাহিত্য-আলোচনার সূত্রেই অমরত্ব লাভ করে, শোকাভিভূত বন্ধুগণের পক্ষেও তা স্মরণীয়। শ্রদ্ধা ও দায়িত্বের সহিত সমকালীন সাহিত্যিকগণ সে কর্তব্যপালনে অগ্রসব হলে সেই সাহিত্যিক কর্তব্যই পালন করবেন।

বহু শিথিল প্রয়োগ সত্ত্বেও ‘জিনিয়াস’ বা ‘প্রতিভা’ কথাটাব একা গভীর তাৎপর্য আছে। নৈসর্গিক সত্যের মতোই ক্বচিৎ তার আবির্ভাব, এবং তর্কাতীত তার প্রকাশ। এ সহজাত কবচকুণ্ডল নিয়ে শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকেরাও অনেকেই জন্মেন না। তবু ‘জিনিয়াস’ বা ‘প্রতিভা’ ছাড়া মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টিশক্তিকে আর কিছু বলাব উপষ নেই। তাঁর অশান্ত প্রাণশক্তি ও প্রাণঘাতী পরিণামের দিকে তাকিয়ে এই কথাই মনে হয়—এ শুধু প্রতিভা নয়, এ তাঁর প্রকৃতি। এই তাঁর নিয়তি। সেই সঙ্গে তাই এই কথাও মনে হয়—এ প্রতিভা আত্মসচেতন প্রতিভা নয়, আত্মবিচার ও আত্মগঠন এ প্রতিভার ধর্ম নয়।
ইউবোপীয় ভাষায় যে দুজয় শক্তিকে ‘ডীমন্‌’ বলে অভিহিত করা হয়, আমরা তাকে কি নাম দিতে পাবি জানি না। সর্বনীতি-নিয়মের অতীত সেই মানসশক্তি যেন নিজেই একমাত্র নিয়ম, নিয়তির মতোই সে অলঙ্ঘ্য ও অনিবার্য।

 যাকে সে আশ্রয় কবে তার দৈহিক মানসিক সমস্ত জীবনকেই সে কবলিত করে একমাত্র আপনার অমোঘ উদ্দেশ্য সিদ্ধ করিয়ে নেয়। অলৌকিকতায় বিশ্বাসীরা তাকে ‘ডেভিল’ বলতে পারেন, আর আমাদের অদৃষ্টবাদের দেশে বিমূট হতাশায় আমবা তাকে ‘নিয়তি’ও বলতে পারি। ‘মেফিস্টোফিলিসে’র রূপকেও আমাদের বুদ্ধিগ্রাহ করে তুলতে পারে কবিকল্পনা—সেই ক্রুর নিষ্ঠুর শক্তি যাকে কবলিত কবে দানবীয় ঐশ্বর্যের বিদ্যচ্ছটায় বিচ্ছুরিত হয় তার নানা রীতি। আব সেই বিদ্যুজ্বালাতেই ঝলসে যায় তার দেহ, তার মন, তার আত্মা। কিন্তু এ রূপকেও আমাদের প্রয়োজন নেই। আমরা এ শক্তিকে ‘প্রকৃতি’ও বলতে পারতাম, ‘প্রবৃত্তি’ও বলতে পারতাম; কিন্তু ‘প্রতিভা’ বলেই এ ক্ষেত্রে আমরা তাকে স্বীকার করতে বাধ্য। আর তার স্বরূপ বুঝলে বলতে পারি—এ হচ্ছে ‘বিদ্রোহী প্রতিভা’- বিদ্রোহেই যার আত্মপ্রকাশ, আর তাই আত্মনাশ যার আত্মপ্রকাশেরই প্রায় অপরিহার্য অঙ্গ।

বাঙালা-সাহিত্যে ‘বিদ্রোহী প্রতিভার’ সঙ্গে আমাদের আরও সাক্ষাৎকাব না ঘটেছে তা নয়। আমরা মাইকেলকে জানি, নজরুলকে দেখেছি। মানিক মন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিলেন তাঁদের সগোত্র। আত্মরক্ষার বুদ্ধি এঁদের নেই, এঁ দেব অশান্ত প্রতিভাকে আত্মবিনাশ থেকে বিরত কবে এমন সাধ্য ও কাবো হয় না। অবশ্য একই গোত্রের হলেও এঁরা প্রত্যেকেই স্বতন্ত্র, স্রষ্টা মাত্রই যেমন বিশিষ্ট। তা ছাড়া দেশকালের যোগাযোগ নানা রূপেই প্রত্যেকের পার্থক্য সুচিহ্নিত করে তোলে।

প্রতিভার জন্ম-রহস্য আজও অজ্ঞাত, পিতৃমাতৃ-পরিচয়ে তার সূত্রসন্ধান করা বৃথা। ১৯০৮-এই হোক বা ১৯১০-এই হোক, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায যখনি জন্মে থাকুন, ভদ্র শিক্ষিত পরিবাবের বৈজ্ঞানিক মনীষাসম্পন্ন তাঁর অগ্রজদের কথা উল্লেখ করেও তাঁর প্রতিভার পরিচয় দান করা সম্ভব হয় না। ববং পদ্মাতীরে তার পৈতৃক বাসভূমি ও পিতৃ-কর্মোপলক্ষে নানা অঞ্চলের সঙ্গে তাঁর অচিবস্থায়ী পরিচয়,–এই পরিবেশের স্কুল বা সূক্ষ্ম চিহ্ন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দান্ত প্রাণশক্তিতে ও তাঁর অস্থির, নির্মায়িক শিল্প-চেতনায় সন্ধান করা যেতে পারে।

Shantilata pdf download link
Download / Read Online

Be the first to comment

Leave a Reply